শুধু টল-ডার্ক আর হ্যান্ডসাম হলেই মেয়েদের মন পাওয়া যায় না!!!

শুধু টল-ডার্ক আর হ্যান্ডসাম হলেই মেয়েদের মন পাওয়া যায় না
শুধু টল-ডার্ক আর হ্যান্ডসাম হলেই মেয়েদের মন পাওয়া যায় না

ভালোমন্দ মিলিয়েই মানুষ। শুধু টল-ডার্ক আর হ্যান্ডসাম হলেই যে আপনি যে কোন নারীর কাছে আকর্ষণী হয়ে উঠতে পারবেন তা নয়। যদিও অনেক পুরুষেরই এমন ধারণা রয়েছে। তবে বর্তমান ফ্যাশনের নিরিখে আবার মেয়েরা বিরাট কোহলির মতো লুক আর জন আব্রাহামের মতো সিক্স প্যাক পছন্দ করছেন। তবে যায় বলুন, নারীদের মন বোঝা খুব কঠিন কাজ। যায় হোক মনের মানুষটি হওয়া চাই বিশ্বাসী ও যত্নশীল । প্রত্যেক মানুষের যেমন ভালো গুণ থাকে তেমনি খারাপ দিকও থাকে। কিন্তু ছেলেদের কিছু আচরণ বা অভ্যাস আছে যা মেয়েরা সহজে মানতে পারে না। আপনি কি সিঙ্গল? গার্লফ্রেন্ড আছে নাকি সংসারি? তা যায় হন না কেন জেনে নিন কীভাবে পার্টনারের বা মনের মানুষটির মন জয় করে নেয়া যাবে।

মিথ্যে বলবেন নাঃ একটা কথা চাপা দেবার জন্য আর ৫টা মিথ্যে কথা বলা কখনই উচিত নয়। তাই সত্যি কথাটা সবার আগে আপনার মুখ থেকেই শুনতে চান আপনার স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ড। এতে সম্পর্কের মধ্যে বিশ্বাস বাড়ে।

আবেগপ্রবণ হতে দ্বিধা করবেন নাঃ মেয়েদের মধ্যে আবেগ একটু বেশি কাজ করে। তাই তারা যেকোনো কিছুতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। ছেলেরা এই বিষয়গুলোকে অবহেলা করে। যা মেয়েরা খুব অপছন্দ করে। এমন কোনও স্পর্শকাতর বিষয়, তা আপনি যদি আপনার পার্টনারের সঙ্গে মন খুলে বলেন আর তাতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন, তাতে খুশিই হবেন আপনার পার্টনার এবং সম্পর্কের গভীরতাও বেড়ে যাবে।

পোশাক নিয়ে কোনও মন্তব্য নয়ঃ আপনার স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ডকে নিজের পছন্দসই পোশাক পরতে দিন। যদি সেই পোশাকের প্রশংসা করতে পারেন তাহলে ভাল। তবে ভুলেও নাক সিঁটকোবেন না। অনেক পুরুষই পোশাক নিয়ে নানা ঝামেলা করে। যা মহিলাদের একেবারে পছন্দ না। পোশাকে, চলাফেরায়, কথা বলার ক্ষেত্রে যে সব ছেলেরা স্মার্ট থাকে না তাদের মেয়েরা জীবনসঙ্গী হিসেবে কখনোই চায় না।

মেয়েদের পেশাকে সম্মান করুনঃ আজকালকার মেয়েরা স্বাধীনভাবেই বাঁচতে ভালবাসেন। তাই পড়াশোনা, খেলাধুলো বা মডেলিং করে মনের মতো পেশাটি বেছে নন। প্রতিযোগিতার বাজারে একটি চাকরি পেতে কিংবা ব্যবসা করতে যথাসম্ভব পরিশ্রমও করেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা আশা করেন সঙ্গীটি তাঁর পেশার প্রশংসাই করবেন। তাঁর সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনাও করবেন। কর্মক্ষেত্রে কীভাবে আরও উন্নতি করা যাবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দেবেন। কোনও পুরুষ ঠিক যেমন নিজের পেশাকে ভালবাসেন, তেমনই গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রীর পেশাকেও সম্মান করবেন।

অতীত নিয়ে ঘাঁটবেন নাঃ পার্টনারের অতীত নিয়ে অযথা জলঘোলা করলে সম্পর্কে বোঝাপড়ার অভাব হতে পারে। তাই যা হয়ে গিয়েছে, তা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। বরং আগামী দিনগুলি কীভাবে সুন্দর করা যায়, তা ভাবুন।

জোর করবেন নাঃ যে কাজটি সে করতে ইতস্তত বোধ করেন, তা নিয়ে জোর করবেন না। বিশেষ করে যৌনজীবনের ক্ষেত্রে তো একেবারেই না। নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করতে কে-ই বা ভালবাসে!

অকারণ সন্দেহঃ অকারণ সন্দেহ বা রাগ করা কোন মেয়ে পছন্দ করেন না। পরস্পরের প্রতি ভালবাসা আর বিশ্বাসটাই প্রয়োজন।

সঙ্গীর পরামর্শও নিনঃ কাজ কিংবা পারিবারিক ক্ষেত্রে কোনও বিষয়ে সমস্যায় পড়লে সঙ্গীর সঙ্গে পরামর্শ করুন। তাঁর মতামত শুনুন তারপর নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন। এতে তাকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অন্যকে সম্মান দিনঃ রেস্তরাঁয় খেতে গিয়ে ওয়েটারকে সিটি বাজিয়ে ডাকার অভ্যেস অনেক পুরুষেরই আছে। কিন্তু সাধারণত মহিলাদের তা অপছন্দ। তাঁর প্রিয় পুরুষ সমাজের প্রত্যেকটি সাধারণ মানুষকে সম্মান দিয়েই যেন কথা বলেন, এমনটাই চান মহিলারা।

সারপ্রাইজ দিনঃ বাঁধাধরা জীবনযাপনের মধ্যে একটু ভাললাগা না থাকলে একঘেয়ে লাগাটা স্বাভাবিক। তাই গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রীর মুখে হাসি ফোটাতে মাঝে মধ্যে সারপ্রাইজ দিন। তবেই না আপনিও পার্টনারের থেকে সারপ্রাইজ আশা করতে পারেন।

ভালবাসাতে নেই কোন বাঁধাধরা নিয়ম, নেই কোন সীমানা, তাই নিজের প্রিয়জনকে ভালবাসুন মন-প্রান উজাড় করে।

(Visited 44 times, 1 visits today)
Share :
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Be the First to Comment!

Notify of
avatar