২০টি ভর্তার রেসিপি একসাথে

ভর্তার-রেসিপি-একসাথে

হ্যালো রাজশাহীর আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছে ২০টি ভর্তার রেসিপি একসাথে তারাতারি দেখে নিন –

০১। বেগুন ভর্তাঃ

উপকরণঃ

১। বড় গোলবেগুন ১টি,
২। সরিষা বাটা ১ চা চামচ,
৩। নারকেল মিহি বাটা ২ চা চামচ,
৪। টমেটো কুঁচি ১ কাপ,
৫। পেঁয়াজ কুঁচি আধা কাপ,
৬। মেথি আধা কাপ,
৭। রাধুনী সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ,
৮। কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ,
৯। লবণ স্বাদমতো।

প্রণালী:
– বেগুনের গায়ে তেল মাখিয়ে পুড়িয়ে নিন।
– এবার পানিতে রেখে খোসা ছাড়িয়ে মেখে নিন।
– কড়াইয়ে তেল দিয়ে মেথি ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি দিন।
– পেঁয়াজ একটু নরম হলে টমেটো সরিষা, নারকেল, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে বেগুন দিন।
– কড়াইয়ের তলা ছেড়ে এলে এবং একটু আঠালো হলে নামিয়ে নিতে হবে।

০২। মসুর ডালের ভর্তাঃ

উপকরণঃ

১। মসুর ডাল ১ কাপ,
২। পানি ৩ থেকে সাড়ে ৩ কাপ,
৩। রসুন কুঁচি আধা চামচ,
৪। পেঁয়াজ কুচি ১ চা চামচ,
৫। লবণ আধা চা চামচ,
৬। কাঁচামরিচ ফালি ২টি,
৭। তেল ১ চা চামচ।

প্রণালীঃ
– সব উপকরণ দিয়ে ডাল সিদ্ধ করতে হবে। ঘন থকথকে হলে নামাতে হবে।

০৩। টাকি মাছের ভর্তাঃ

উপকরণঃ

১। টাকিমাছ ১ কাপ,
২। পেঁয়াজ স্লাইস ৩ চা চামচ,
৩। আদা, রসুন বাটা চা চামচ,
৪। পেঁয়াজ পাতা ২ চা চামচ,
৫। জিরা বাটা ১ চা চামচ,
৬। রসুন ছেঁচা ২ টে. চা,
৭। ধনে বাটা চা চামচ,
৮। লবণ, স্বাদ অনুযায়ী,
৯। হলুদ বাটা ১/২ চা চামচ,
১০। মরিচ বাটা ১/২ চা চামচ,

প্রনালীঃ
– মাছ সিদ্ধ করে কাটা বেছে ১ কাপ মেপে নাও।
– তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা বাদামী রং করে ভেজে বাটা মসলা ও সামান্য পানি এবং রসুন দিয়ে কষাও।
– কষানো হলে পেয়াজপাতাসহ কচি পেঁয়াজ দিয়ে নাড়।
– মাছ দিয়ে নেড়ে নেড়ে ভাজ, লবণ দাও।
– মাছ হালুয়ার মতো তাল বাঁধলে নামাও। মাছ যেন ঝুরি এবং শুকনা না হয়।
– এর পর আপনি চাইলে হাত দিয়ে গোল গোল বল বানিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার টাকি মাছের ভাজা ভর্তা।

০৪। আলু ডিম ভর্তার রেসিপিঃ

উপকরণঃ

১। ডিম ২টি,
২। আলু ১টি (মাঝারি সাইজের),
৩। কাঁচামরিচ কুঁচি ১ চা চামচ,
৪। পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ,
৫। ধনেপাতা কুঁচি ১ চা চামচ,
৬। লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালীঃ
– আলু এবং ডিম সেদ্ধ করে নিন।
– খোসা ছাড়িয়ে আলু এবং ডিম আলাদাভাবে চটকে নিন।
– এবার পেঁয়াজ কুচি, লবণ এবং আধা চা চামচ সরিষার তেল দিয়ে ডিম ও আলু ভালোভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন।

০৫। পালংশাক ভর্তাঃ

উপকরণঃ

১। পালংশাক ২০০ গ্রাম,
২। কাঁচা মরিচ/ শুকনা মরিচ ভাজা ৫ থেকে ৬ টি,
৩। পেয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ,
৪। লবণ ও সরিষার তেল – নিজের পছন্দ মত।

প্রনালীঃ
– প্রথমে পালংশাক ভাল করে ধুয়ে বড় করে কেটে যে কোন পাত্রে সিদ্ধ করে নিন।
– শাক সিদ্ধ হয়ে গেলে পেয়াজ কুচি, মরিচ ও লবণ হাত দিয়ে চেটকিয়ে মিহি করুন।
– তারপর সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে পরিবেশন করুন।
– শীতের দিনে গরম গরম ভাতের সাথে শাক ভর্তা অনেক সুস্বাদু লাগে।

০৬। ধনেপাতার চাটনিঃ

উপকরণঃ

১। টাটকা ধনেপাতা বড় ২ আঁটি,
২। রসুন ২ কোয়া,
৩। তেঁতুল ১ টেবিল চামচ,
৪। কাঁচামরিচ ১টি,
৫। চিনি, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালীঃ
– ধনেপাতার কচি ডগা ও পাতা বেছে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন।
– ধনেপাতা, রসুন, কাঁচামরিচ, তেঁতুল, লবণ ও চিনি সব একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি করে কেটে নিন।
– সামান্য ঝাল, মিষ্টি ও টকটক স্বাদ হবে।

০৭। সরিষা ভর্তাঃ

উপরকণঃ

১। লাল সরিষা ৪ টেবিল চামচ,
২। কাঁচামরিচ ১টি,
৩। লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালীঃ
– সরিষা ভালো করে বেছে ধুয়ে কাঁচামরিচ এবং লবণ দিয়ে শিলপাটায় বেটে নিন।

০৮। লাউ এর খোশা ভর্তাঃ

উপকরণঃ

১। লাউ এর খোশা-৩ কাপ,
২। শুকনা মরিচ পোড়ানো-৪/৫টি,
৩। লবণ-পরিমাণ মতো,
৪। ধনে পাতা-সিকি কাপ,
৫। পিঁয়াজ কুচি-সিকি কাপ,
৬। সরিষার তেল-২ টেঃ চামচ।

প্রণালীঃ
– লাউ-এর খোশা ধুয়ে পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিন।
– এবার তেলের মধ্যে লাউ এর খোশা ভেজে নিন।
– শুকনা মরিচ ভেজে নিন, পিঁয়াজ ভেজে নিন।
– ধনে পাতা কুচি করে নিন।
– এবার লাউ এর খোশা, শুকনা মরিচ, পিঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা কুচি সব এক সাথে পাটায় মিহি করে বেটে নিন।
– হয়ে গেল লাউ এর খোশা ভর্তা।

০৯। মিষ্টি কুমড়ার ভর্তার রেসিপঃ

উপকরণঃ

১। মিষ্টি কুমড়া ২ কাপ,
২। লবণ পরিমাণমতো,
৩। পানি ১ কাপ,
৪। ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ,
৫। কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ,
৬। পেঁয়াজ কুঁচি ৪/১ কাপ।

প্রণালীঃ
– মিষ্টি কুমড়া খোসা ছাড়িয়ে কেটে ধুয়ে পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।
– এবার সিদ্ধ করা মিষ্টি কুমড়ার সঙ্গে সব উপকরণ খুব ভালো করে মেখে নিন।
– হয়ে গেল মজাদার মিষ্টি কুমড়ার ভর্তা।

১০। লাউ পাতা ভর্তা রেসিপিঃ

উপকরণঃ

১। লাউ পাতা ২ কাপ,
২। আধা কাপ পেঁয়াজকুচি,
৩। ৫টা কাঁচা মরিচ,
৪। ১ টেবিল চামচ সয়াবিন তেল,
৫। লবন স্বাদ অনুযায়ী।

প্রনালীঃ
– হাঁড়িতে লাউ পাতা, তেল, পেঁয়াজকুচি, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা, লবন সব দিয়ে ভেজে নিন।
– ভাজা হলে এবার সব মিহি করে বেটে নিন।
– পরিবেশ করুন পছন্দ মত গরম গরম ভাতের সাথে।

১১। বেগুনের ভর্তাঃ

উপকরণঃ

১। বেগুন ২টি,
২। পিয়াজঁ কুচি বড় ১টি,
৩। কাচাঁমরিচ টালা ৪-৫ টি (ঝাল কম বেশি করতে পারেন),
৪। ধনেপাতা কুচি ২টেবিল চামচ,
৫। লবণ স্বাদ অনুযায়ী,
৬। সরিষার তেল পরিমান মত।

প্রনালীঃ
– প্রথমে বেগুন ধুয়ে মুছে নিন। এবার ছুরির আগা দিয়ে বেগুনের গেয়ে একটু দাগ কেটে নিন।
– এবং গ্যাসের চুলায় বসিয়ে দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পুড়ে নিন।
– কাচাঁমরিচ টেলে নিন খোলায় দিয়ে।
– এবার বাকি উপকরণ কেটে তৈরী করে রাখুন।
– পোড়া বেগুন বেসিনের কলের নীচে রেখে খোসা ছাড়িয়ে নিন।
– এবার একটি বাটিতে পিয়াজঁ, কাচাঁমরিচ কুচি ও লবণ নিয়ে ঢলে নিন ভাল করে ।
– এবার ধনেপাতা কুচি দিয়ে মাখিয়ে, বেগুন দিয়ে মাখিয়ে নিন এবং সরিষার তেল দিয়ে মাখাতে হবে ।
– ব্যাস হয়ে গেল পোড়া বেগুনের ভর্তা!
– গরম ভাতে পরিবেশন করুন।

১২। টমেটো ভর্তাঃ

উপকরণঃ

১। ছোট টমেটো ২৫০ গ্রাম,
২। পেঁয়াজ মিহি কুঁচি ১ টেবিল চামচ,
৩। শুকনা মরিচ ২টা,
৪। ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ,
৫। লবণ পরিমাণমতো,
৬। চিনি ১ চা চামচ,
৭। সরষের তেল ১ টেবিল চামচ,
৮। লেবুর রস ১ টেবিল চামচ

প্রণালীঃ
– শুকনা মরিচ তাওয়ায় টেলে বিচিসহ গুঁড়ো করে নিতে হবে।
– টমেটোর গায়ে তেল লাগিয়ে তাওয়ার ওপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় তুলে সব দিক সমানভাবে পুড়িয়ে নিতে হবে।
– ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে চটকে পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, তেল, চিনি, লেবুর রস, ধনেপাতা দিয়ে মেখে ভর্তা করতে হবে।

১৩। কালিজিরা ভর্তাঃ

উপকরণঃ

১। কালিজিরার আধা কাপ,
২। রসুনের কোয়া ২ টেবিল-চামচ,
৩। কাঁচামরিচ ৮টি,
৪। পেঁয়াজ কুঁচি ৪ টেবিল-চামচ,
৫। লবণ পরিমাণমতো,
৬। সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ।

প্রণালীঃ
– রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে।
– তেল বাদে সব উপকরণ পাটায় বেটে তেল দিয়ে মেখে ভর্তা করুন।

১৪। পটল খোসা চিংড়ি ভর্তাঃ

উপকরণঃ

১। পটলের খোসা ১ কাপ,
২। মাঝারি সাইজের চিংড়ি মাছ ৪ টি,
৩। পেয়াঁজ কুচি ২ টেবিল চামচ,
৪। রসুন কুচি ১ চা চামচ,
৫। আদা কুচি ১ চা চামচ,
৬। হলুদ আধা চা চামচ,
৭। শুকনো লঙ্কা ৩ টি,
৮। পরিমাণমতো লবন,
৯। সরষের তেল ১ টেবিল চামচ।

প্রণালিঃ
– পটলের খোসা ছাড়িয়ে রাখুন।
– পটলের খোসা ও চিংড়ি ভালো করে ধুয়ে হলুদ লবন মাখিয়ে বাকি সব উপকরণ সহ অল্প আঁচে সামান্য জলের ছিঁটে দিয়ে ভেজে নিন যেন চিংড়ি সেদ্ধ হয়।
– এবার সব উপকরণসহ ব্লেন্ডারে দিয়ে ভর্তা তৈরি করুন।
– গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করন পটল খোসা চিংড়ি ভর্তা।

১৫। চিকেন ভর্তাঃ

উপকরণঃ

১। চিকেন ব্রেস্ট – অর্ধেকটি (১টি দেড় কেজি ওজনের মুরগীর),
২। আদা বাটা – দেড় চা চামচ,
৩। রসুন বাটা – ১ চা চামচ,
৪। জিরা গুঁড়া – ১/২ চা চামচ,
৫। পিয়াজ কুচি – প্রায় ১ কাপ,
৬। কাঁচামরিচ – ৫-৭টি,
৭। তেল – ১ টে চামচ,
৮। লবণ– স্বাদমতো।

ভর্তা মাখানোর জন্যে যা প্রয়োজনঃ
১। শুকনামরিচ – ৫-৬টি (ঝাল বুঝে)
২। আদা থ্যাতো করা – ১/২ ইঞ্চির ১ টুকরা
৩। সরিষার তেল – ২ টে চামচ

প্রণালিঃ
– চিকেন ছোটো ছোটো টুকরা করে আদা-রসুন বাটা ও সামান্য লবণ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন কমপক্ষে ২০ মিনিট।
– প্যানে সাদা তেল গরম করে মিনিট খানেক চিকেন ভেজে তারপর পিয়াজ, কাঁচামরিচ, জিরাগুঁড়া ও স্বাদমতো লবণ মিশিয়ে নিন।
– নেড়ে-চেড়ে ভাজুন মিনিট দশেক। নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। ঠান্ডা হলে ভাজা শুকনামরিচ, আদা ও সরিষার তেল দিয়ে বেশ ভালোভাবে হাত দিয়ে মাখিয়ে নিন অথবা শিল-পাটায় বেটে নিন।
– আমি হাত দিয়েই মাখিয়েছি। হাতের ছোঁয়ায় বেশ কিছুটা ভালোবাসা যোগ হয় কিনা।

১৬। তিল্লি/মাইট্যা কলিজা ভর্তাঃ

উপকরনঃ

১। তিল্লি— ১/২ কেজি,
২। পিয়াজ কুচি– ১/৪ কাপ,
৩। আদা বাটা– দেড় টে চামচ,
৪। রসুন বাটা– ১ টে চামচ,
৫। হলুদ, মরিচ, ধনিয়া– ১/২ চা চামচ করে,
৬। জিরা গুঁড়া– ১ চা চামচ,
৭। এলাচ, দারচিনি, তেজপাতা, লং– পরিমাণমতো,
৮। সাদা তেল– ২ টে চামচ,
৯। লবণ– স্বাদমতো।

ভর্তার জন্যেঃ
১। ২-৩ টি শুকনামরিচ,
২। ৪-৫ টি রসুন কোয়া থ্যাতো করা ও সরিষার তেল।

প্রণালিঃ
– তিল্লি কিউব করে কেটে, ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
– ভর্তার উপকরণ ছাড়া সব উপকরণ একসাথে মাখিয়ে অল্প পানি দিয়ে প্রেশার কুকারে চুলায় বসিয়ে দিন।
– মাঝারি আঁচে ৬-৭টা সিটি বাজলে নামিয়ে নিন। প্রেশার কমে এলে ঢাকনা খুলে দিন। ঝোল থাকলে ঝোল শুকিয়ে নিন।
– নামিয়ে ঠান্ডা করে আস্ত গরমমসলা উঠিয়ে ফেলুন। ভাজা শুকনামরিচ, রসুন ও সরিষার তেল দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন।

পরিবেশনঃ
ভাতের সাথে পরিবেশন করুন দারুন মজার তিল্লি ভর্তা বা মাইট্যা কলিজা ভর্তা।

১৭। বরবটির ভর্তা রেসিপিঃ

উপকরণঃ

১। স্বেদ্ধ বরবটি ১ কাপ,
২। চিংড়ি শুটকি(ইচ্ছা) ৭/৮ টা,
৩। পেয়াজ মোটা ফালি ১/২ কাপ,
৪। কাঁচামরিচ ৩ টা,
৫। ধনেপাতা ১ কাপ,
৬। সরষের তেল ১ টেবল চামচ,
৭। লবন ১/৩ চা চামচ।

প্রণালিঃ
– প্রথমে রুটির তাওয়া গরম করে তাতে সরষের তেল দিয়ে তাতে সবগুলো উপকরন দিয়ে খুব অল্প জ্বালে বেশ সময় নিয়ে টালতে হবে, ১৫-২০ মিনিট।
– টালা হয়ে এলে পাটায় পিষে অথবা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিলেই হয়ে গেল বরবটি ভর্তা।

১৮। কাঁচামরিচ ভর্তা রেসিপিঃ

উপকরণঃ

১। কাচামরিচ ১/২ কাপ,
২। রসুন ১/২ কাপ,
৩। লবন পরিমানমত,
৪। ধনে পাতা কুচি ১/২ কাপ।

প্রনালিঃ
– রসুন ছিলে নিন, কাঁচামরিচেরর বোটা ছাড়িয়ে রাখুন।
– এবার তাওয়ায় কাচামরিচ ও রসুন ভালো করে টেলে নিন।
– এবার সব উপকরন একসাথে বেটে নিন।
– তৈরি আপনার কাঁচামরিচ ভর্তা ।

১৯। ছুরি শুঁটকি ভর্তাঃ

উপকরণঃ

১। ছুরি শুঁটকি ছোট করে কাটা আধা কাপ,
২। পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ,
৩। শুকনা মরিচের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ,
৪। লবণ পরিমাণমতো,
৫। চিনি আধা চা চামচ,
৬। লেবুর রস ১ চা চামচ,
৭। তেল আধা কাপ,
৮। আদা বাটা আধা চা চামচ,
৯। রসুন বাটা, ধনে গুঁড়া ও হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ করে,
১০। তেজপাতা ১টি,
১১। কাঁচামরিচ চার টুকরা করে কাটা ৬টি।

প্রণালীঃ
– শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ করে বেটে নিতে হবে।
– তেল গরম করে আদা-রসুন দিয়ে ভালো করে ভুনে শুঁটকি দিয়ে ভুনতে হবে।
– হলুদ, ধনে, মরিচের গুঁড়া, তেজপাতা, লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে ৮-১০ মিনিট ভুনে পেঁয়াজ দিয়ে ভুনতে হবে।
– পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে চিনি, লেবুর রস, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।

২০। লইট্টা শুটকি ভর্তা রেসিপিঃ

উপকরণঃ

১। লইট্টা শুটকি হাফ কাপ,
২। পেয়াজ ৩ টা,
৩। রসুন কোয়া ৭-৮ টা,
৪। মরিচ ৭-৮ টা (কম বেশি করা যাবে),
৫। ধনিয়া পাতা কুচি,
৬। লবন স্বাদমত,
৭। সরিষার তেল অল্প।

প্রনালিঃ
– শুটকি গুলুকে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিট।
– এরপর খুব ভালো ভাবে পরিষ্কার করে নিয়ে। তাওয়া তে মচমচে করে ভেজে নিন।
– এবার একটা তাওয়া তে পেয়াজ রসুন মরিচ ধিমি আঁচে ভেজে নিন। ঢাকনা লাগিয়ে দিলে পেয়াজ টা সিদ্ধ হতে সময় নিবে না।
– দেখবেন পেয়াজ রসুন মরিচ সিদ্ধ হয়ে গেছে তখন বুঝবেন এটা রেডি।
– এবার এই ভেজে নেয়া পেয়াজ রসুন মরিচ গুলুর সাথে ভাজা শুটকি ধনিয়া পাতা কুচি লবন আর অল্প তেল দিয়ে চপার কিনবা ব্লেন্ডার দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। পাটা তে ও বাটতে পারেন।

(Visited 390 times, 1 visits today)
Share :
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Be the First to Comment!

Notify of
avatar